চতুর্ভুজ জমি
চার বাহুর জমির ক্ষেত্রফল। বাহুগুলো প্রায় সমান ও কোণ প্রায় ৯০° হলে গড় পদ্ধতি চলে। বাহু অসমান বা জমি বাঁকা হলে একটি কর্ণ মেপে কর্ণ পদ্ধতিতে নির্ভুল হিসাব করুন।
ত্রিভুজ
ত্রিভুজাকার জমির ক্ষেত্রফল, চারভাবে: তিন বাহু দিয়ে, ভূমি ও উচ্চতা দিয়ে, দুই বাহু ও তাদের মধ্যের কোণ দিয়ে, অথবা তিন বাহু ও তিন কোণের যেকোনো তিনটি দিয়ে (সাইন-কোসাইন সূত্র)।
বহু-বাহু জমি
যেকোনো আকারের জমি। বাহুর সংখ্যা বাছাই করুন, তারপর প্রতিটি বাহু আর প্রথম কোণা "ক" থেকে টানা কর্ণগুলোর মাপ লিখুন। জমিটা নিজে থেকে কয়েকটি ত্রিভুজে ভাগ হয়, প্রতিটির ক্ষেত্রফল হেরনের সূত্রে বের করে যোগফল দেখানো হয়।
অন্যান্য আকৃতি
বর্গ, সামান্তরিক, ট্রাপিজিয়াম, বৃত্ত, উপবৃত্ত (বৃত্তাবাস) ও পরাবৃত্ত আকারের জমির ক্ষেত্রফল।
স্থানাঙ্ক থেকে ক্ষেত্রফল
জমির প্রতিটি কোণার স্থানাঙ্ক (Easting ও Northing) জমির চারপাশ ধরে ক্রমানুসারে লিখুন। শু-লেস (Shoelace) সূত্রে ক্ষেত্রফল, প্রতিটি বাহুর দৈর্ঘ্য ও দিক (বেয়ারিং) আর পরিসীমা বের হবে। GNSS, টোটাল স্টেশন বা ম্যাপ থেকে নেওয়া স্থানাঙ্ক দেওয়া যায়।
চেইন-অফসেট
জমির মাঝ দিয়ে বা পাশ দিয়ে একটি সোজা বেস লাইন (চেইন লাইন) টানুন। বেস লাইনের শুরু থেকে প্রতিটি মাপের দূরত্ব (চেইনেজ), আর সেখান থেকে সীমানা পর্যন্ত লম্ব দূরত্ব (অফসেট) বাম ও ডান দিকে লিখুন। বাঁকা সীমানার জমিতে এই পদ্ধতি কাজে লাগে।
ক্ষেত্রফল থেকে দৈর্ঘ্য
নির্দিষ্ট পরিমাণ জমি (যেমন ৫ শতক) আলাদা করতে কত দৈর্ঘ্য লাগবে। একটি বাহু জানা থাকলে অন্যটি, বর্গাকার হলে প্রতিটি বাহু, অথবা ত্রিভুজের ভূমি জানা থাকলে উচ্চতা।
জমি ভাগ
আয়তাকার জমি সামনের দিক (রাস্তার দিক) বরাবর কয়েক ভাগে ভাগ করুন: সমান ভাগে, অনুপাতে (যেমন ২:১:১), অথবা প্রতিটি ভাগের নির্দিষ্ট জমি দিয়ে। প্রতিটি ভাগের সামনের প্রস্থ কত হবে, তা বের হবে।
আয়তাকার নয় এমন জমির নির্ভুল ভাগের জন্য "অনিয়মিত জমি ভাগ" পাতা ব্যবহার করুন।
অনিয়মিত জমি ভাগ
তিন থেকে ত্রিশ বাহুর যেকোনো আকারের জমি (কোণা ক থেকে কর্ণসহ) থেকে নির্দিষ্ট পরিমাণ জমি কেটে দেওয়া, অথবা সমান কয়েক ভাগ করা। ভাগের রেখা হবে একটি বাহুর সমান্তরাল (যেমন রাস্তার দিকের বাহু), অথবা একটি কোণা থেকে টানা। ফলাফলে দেখাবে কোন বাহুর কোন কোণা থেকে কত দূরে খুঁটি বসবে।
খতিয়ান ও অংশ
পুরাতন খতিয়ান ও দলিলে জমির অংশ লেখা হতো আনা, গণ্ডা, কড়া, ক্রান্তি ও তিলে, যেখানে পুরো জমি = ১ টাকা (১৬ আনা)। অংশকে দশমিক, শতাংশ ও জমিতে রূপান্তর করুন, উল্টো দিকে নিন, অথবা কয়েকজন মালিকের অংশ একসাথে মিলিয়ে দেখুন।
ভিত্তি: প্রকৌশলী মোঃ শহিদুল ইসলামের "বাংলাদেশ জিওডেটিক ক্যালকুলেটর"-এর "জমির পুরাতন অংশ হিসাব"।
রেকর্ড বনাম মাপ
খতিয়ান বা দলিলে যত জমি লেখা, মেপে তার চেয়ে কম বা বেশি পাওয়া গেলে পার্থক্য কত, আর ঘাটতি বা বাড়তি প্রত্যেক মালিকের অংশ অনুযায়ী কীভাবে ভাগ হবে। কোনো মালিকের দলিলের নির্দিষ্ট জমি পুরো রাখতে চাইলে তাঁর ঘরে টিক দিন; বাকি পার্থক্য অন্যদের মধ্যে ভাগ হবে।
ফারায়েজ ক্যালকুলেটর
মুসলিম ফারায়েজ (হানাফি মত) ও বাংলাদেশের মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ ১৯৬১-এর ধারা ৪ অনুযায়ী ওয়ারিশদের অংশ হিসাব। যে ওয়ারিশ জীবিত আছেন শুধু তাদের সংখ্যা দিন; ক্যালকুলেটর নিজে থেকে কে বাদ পড়বেন, আউল ও রদ হিসাব করবে।
সারসংক্ষেপ
ভিত্তি: প্রকৌশলী মোঃ শহিদুল ইসলামের "বাংলাদেশ জিওডেটিক ক্যালকুলেটর"-এর ফারায়েজ অংশ। এই হিসাব সাধারণ নিয়মে করা। যাবিল আরহাম (দূরবর্তী আত্মীয়), একাধিক প্রজন্মের মৃত্যু বা বিরোধপূর্ণ ক্ষেত্রে আইনজীবী বা অভিজ্ঞ আলেমের মত নিন। মিলিয়ে দেখতে পারেন সরকারি uttoradhikar.gov.bd সাইটে।
ফারায়েজ গাইড
বাংলাদেশে মুসলিমদের সম্পত্তি বণ্টন হয় Muslim Personal Law (Shariat) Application Act, 1937 এবং Muslim Family Laws Ordinance, 1961 অনুসারে।
- দাফন-কাফনের খরচ
- দেনা পরিশোধ, স্ত্রীর অপরিশোধিত দেনমোহরসহ
- অসিয়ত (উইল), সর্বোচ্চ বাকি সম্পদের এক-তৃতীয়াংশ পর্যন্ত, এবং ওয়ারিশ নন এমন কারো জন্য
- যাবিল ফুরুজ (নির্দিষ্ট অংশের অংশীদার): কুরআনে যাদের অংশ নির্দিষ্ট, যেমন স্বামী, স্ত্রী, মা, বাবা, কন্যা, বোন। অংশগুলো ১/২, ১/৪, ১/৮, ২/৩, ১/৩, ১/৬।
- আসাবা (অবশিষ্টাংশভোগী): নির্দিষ্ট অংশ দেওয়ার পর যা থাকে তা পান, যেমন পুত্র, পৌত্র, বাবা, ভাই।
- যাবিল আরহাম (দূরবর্তী আত্মীয়): প্রথম দুই শ্রেণির কেউ না থাকলে পান, যেমন মেয়ের সন্তান, বোনের সন্তান।
| ওয়ারিশ | সন্তান থাকলে | সন্তান না থাকলে |
|---|---|---|
| স্বামী | ১/৪ | ১/২ |
| স্ত্রী (একাধিক হলে সবাই মিলে) | ১/৮ | ১/৪ |
| বাবা | ১/৬ (শুধু কন্যা থাকলে ১/৬ + অবশিষ্ট) | অবশিষ্টাংশভোগী |
| মা | ১/৬ | ১/৩ (দুই বা ততোধিক ভাইবোন থাকলে ১/৬) |
| একমাত্র কন্যা (পুত্র নেই) | ১/২ | — |
| দুই বা ততোধিক কন্যা (পুত্র নেই) | সবাই মিলে ২/৩ | — |
| পুত্র ও কন্যা একসাথে | অবশিষ্টাংশ, পুত্র : কন্যা = ২ : ১ | — |
"সন্তান" মানে মৃত ব্যক্তির সন্তান বা পুত্রের সন্তান।
- হাজব (বাদ পড়া): নিকটতর ওয়ারিশ থাকলে দূরবর্তী ওয়ারিশ বাদ পড়েন। যেমন পুত্র থাকলে ভাইবোনেরা কিছু পান না, আর বাবা থাকলে দাদা পান না।
- আউল: নির্দিষ্ট অংশগুলোর যোগফল ১-এর বেশি হলে সবার অংশ আনুপাতিক হারে কমানো হয়।
- রদ: নির্দিষ্ট অংশ দেওয়ার পর সম্পদ বাকি থাকলে, আর কোনো অবশিষ্টাংশভোগী না থাকলে, বাকিটা নির্দিষ্ট অংশের অংশীদারদের মধ্যে ফেরত ভাগ হয়। সাধারণত স্বামী বা স্ত্রী এতে অংশ পান না।
- বাংলাদেশের বিশেষ নিয়ম (MFLO 1961, ধারা ৪): কোনো পুত্র বা কন্যা দাদা-দাদি বা নানা-নানির আগে মারা গেলে, তার সন্তানেরা মৃত বাবা বা মায়ের অংশটি পান।
| অংশ | আনা-গণ্ডায় (১ টাকা = ১৬ আনা = পুরো সম্পত্তি) |
|---|---|
| ১/২ | ৮ আনা |
| ১/৪ | ৪ আনা |
| ১/৮ | ২ আনা |
| ১/৩ | ৫ আনা ৬ গণ্ডা ২ কড়া ২ ক্রান্তি |
| ২/৩ | ১০ আনা ১৩ গণ্ডা ১ কড়া ১ ক্রান্তি |
| ১/৬ | ২ আনা ১৩ গণ্ডা ১ কড়া ১ ক্রান্তি |
- ভাই-বোনেরা কেন পায় না: পিতা থাকলে ভাই, বোন, সৎ ভাই-বোন, বৈপিত্রেয় ভাই-বোন সবাই বাদ পড়ে (হাজব)। ছেলে বা ছেলের ছেলে থাকলেও ভাই-বোনেরা বাদ পড়ে।
- মায়ের অংশ: সন্তান থাকলে ১/৬; সন্তান নেই কিন্তু দুই বা ততোধিক ভাই-বোন থাকলে ১/৬; সন্তান নেই এবং ভাই-বোন একজন বা কেউ নেই হলে ১/৩। ভাই-বোনেরা নিজেরা কিছু না পেলেও তারা থাকলে মায়ের অংশ কমে, আর কমা অংশটুকু পিতা পান।
- উদাহরণ: অবিবাহিত পুত্র, ভাই-বোন ৩ জন: মা ১/৬, পিতা ৫/৬। অবিবাহিত পুত্র, একটি বোন: মা ১/৩, পিতা ২/৩। বিবাহিত, স্ত্রী ও এক ছেলে: স্ত্রী ১/৮, মা ১/৬, পিতা ১/৬, বাকি ছেলে। সন্তান নেই, শুধু স্ত্রী, পিতা ও মাতা (উমারিয়াতাইন): স্ত্রী ১/৪, মা মোটের ১/৪, পিতা ১/২।
- পিতার সম্পত্তির ক্ষেত্রে: পিতার স্ত্রী ও অন্য সন্তানেরা নিজেরাই ওয়ারিশ। আগে মৃত পুত্রের অংশ ধারা ৪ অনুযায়ী তার নিজের সন্তানেরা পায়; পুত্রের মা, ভাই-বোন বা বিধবা স্ত্রী সেই অংশ পান না।
- এগুলো সাধারণ নিয়ম। প্রকৃত বণ্টনের আগে সব ওয়ারিশের সঠিক তালিকা মিলিয়ে নিতে হবে।
- জটিল বা বিরোধপূর্ণ ক্ষেত্রে আইনজীবী বা অভিজ্ঞ আলেমের মত নিন। সরকারি উত্তরাধিকার ক্যালকুলেটর: uttoradhikar.gov.bd।
একক রূপান্তর
দৈর্ঘ্য আর জমির ক্ষেত্রফলের এক একক থেকে সব এককে রূপান্তর। মান লিখলেই ফল দেখায়। ফুট, গজ, হাত, চেইন, লিংক, শতক, একর সব উপরে বাছাই করা গজের ভিত্তিতে; কাঠা, বিঘা, কানি, গণ্ডার মান সেটিংস থেকে।
মৌজা ম্যাপের স্কেল
মৌজা ম্যাপে স্কেল দিয়ে মাপা দূরত্ব থেকে মাটিতে আসল দূরত্ব, অথবা মাটির দূরত্ব ম্যাপে কত হবে। CS, SA, RS ম্যাপের প্রচলিত স্কেল ১৬ ইঞ্চি = ১ মাইল।
হিসাবের ইতিহাস
যেকোনো হিসাবের পাতায় ফলাফলের নিচে "ইতিহাসে রাখুন" চাপলে হিসাবটি এখানে জমা থাকে, মালিকের নাম, মৌজা, দাগ ও খতিয়ানসহ। পরে খুলে আবার দেখা, বদলানো, প্রিন্ট বা কপি করা যায়।
- জমা থাকে শুধু এই কম্পিউটারের এই ব্রাউজারে — অন্য কম্পিউটার, মোবাইল বা অন্য ব্রাউজারে দেখা যাবে না।
- ব্রাউজারের ডেটা মুছলে (History বা Cache পরিষ্কার করলে) ইতিহাসও মুছে যায় — তাই মাঝে মাঝে "ফাইলে রাখুন" দিয়ে কপি রাখুন।
- একই কম্পিউটার কয়েকজন ব্যবহার করলে অন্যরাও দেখতে, বদলাতে বা মুছতে পারবে।
- সমাধান: ডানের "অনলাইন অ্যাকাউন্ট"-এ লগইন করে ইতিহাস রাখুন — হিসাব সার্ভারে থাকে, যেকোনো কম্পিউটার বা মোবাইলে একই আইডিতে দেখা যায়; কাজ শেষে লগআউট করলে অন্যরা দেখতে পারে না।
- It is kept only in this browser on this computer — it will not appear on another computer, phone or browser.
- Clearing browser data (History or Cache) deletes the history too — keep a copy now and then with "Save to file".
- If several people use this computer, others can see, change or delete it.
- Solution: sign in to the "Online account" on the right before saving — calculations are kept on the server and appear on any computer or phone with the same ID; sign out when done so others cannot see them.
সেটিংস
এখানের বাছাই এই কম্পিউটারের ব্রাউজারে মনে থাকে। আঞ্চলিক এককের মান এলাকাভেদে আলাদা হয়, আপনার এলাকার প্রচলিত মান বসিয়ে নিন।
এখনকার মান
পরিচিতি
যন্ত্রপাতি ও সেবা
মাঠের মাপ থেকে ডিজিটাল ম্যাপ: আধুনিক যন্ত্র আর অভিজ্ঞ প্রকৌশলীর হাতে নির্ভুল জরিপ, জিআইএস ও প্রশিক্ষণ।
সেবা
পরিকল্পনা ও প্রকৌশল
মাস্টারপ্ল্যান, অবকাঠামো নকশা ও টেকসই উন্নয়ন; আবাসন বা শিল্প প্রকল্পের প্লট লেআউট।
জিআইএস ও রিমোট সেন্সিং
স্মার্ট ম্যাপ, অর্থোফটো, DEM ও জমি বিশ্লেষণ; মৌজা ম্যাপ ডিজিটাইজ করে GIS-এ নেওয়া।
উচ্চ-নির্ভুল জরিপ
RTK GNSS, ড্রোন (UAV) ও LiDAR দিয়ে সেন্টিমিটার মাপের নির্ভুলতা; নিয়ন্ত্রণ বিন্দু (কন্ট্রোল পয়েন্ট) স্থাপন, টপোগ্রাফিক ও কন্টুর জরিপ।
জমি জরিপ ও সীমানা নির্ধারণ
মৌজা ম্যাপ মিলিয়ে দাগের সীমানা নির্ধারণ ও খুঁটি বসানো; জমির ক্ষেত্রফল ও নকশাসহ জরিপ প্রতিবেদন।
প্রশিক্ষণ
সকলের জন্য উন্মুক্ত। মাঠে হাতে-কলমে ও অনলাইনে, শেষে সনদ দেওয়া হয়।
ডিজিটাল জমির নকশা ও অংশ ভাগ
মাঠের মাপ থেকে CAD/GIS নকশা; খতিয়ান ও ফারায়েজ অনুযায়ী অংশ ভাগের নকশা।
যন্ত্রপাতি বিক্রয়
যন্ত্র বিক্রি করা হয়, ভাড়া দেওয়া হয় না। প্রশিক্ষণ ও প্রকল্পের কাজে GSBD নিজস্ব যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে।
RTK GNSS রিসিভার
বেস ও রোভার দিয়ে মাঠেই সেন্টিমিটার মাপের স্থানাঙ্ক; সীমানা খুঁটি আর নিয়ন্ত্রণ বিন্দুর জন্য।
টোটাল স্টেশন
কোণ ও দূরত্ব একসাথে মাপে; ঘন গাছপালা বা ভবনের পাশে, যেখানে GNSS কম কাজ করে।
ড্রোন (UAV)
আকাশ থেকে ছবি তুলে অর্থোফটো, DEM ও বড় এলাকার ম্যাপ।
অটো লেভেল / ডিজিটাল লেভেল
মাটির উচ্চতা ও ঢাল মাপা, ভরাট ও খননের হিসাব।
হ্যান্ডহেল্ড জিপিএস
মোটামুটি অবস্থান খোঁজা, মৌজা বা দাগ খুঁজে পাওয়া (মিটার মাপের নির্ভুলতা)।
চেইন, ফিতা ও মাপের অন্যান্য সরঞ্জাম
গান্টার চেইন, স্টিল ও ফাইবার ফিতা, রেঞ্জিং রড, খুঁটি।
সেবা নিতে যেভাবে
- যোগাযোগফোন বা WhatsApp-এ যোগাযোগ করুন, কাজের ধরন ও জমির জায়গা জানান।
- কাগজপত্রকাগজপত্রের কপি পাঠান: খতিয়ান, দলিল, মৌজা ম্যাপ (যা আছে)।
- মাঠে জরিপখরচ ও তারিখ ঠিক করে মাঠে জরিপ।
- নকশা ও প্রতিবেদননকশা, ক্ষেত্রফল ও প্রতিবেদন হাতে পাবেন।
যোগাযোগ
- মোবাইল ও WhatsApp
- +৮৮০ ১৭১৩-০৬২২২৪
- ইমেইল
- shd2051@gmail.com · info@gsbd.com.bd
- ঠিকানা
- বাড়ি ৭৩/৪, ওয়ার্ড ০৯, ঘাটারচর, তানপাড়া, শ্যামলাপুর, কেরানীগঞ্জ, ঢাকা-১৩১২
- অফিস সময়
- সকাল ১০:০০টা থেকে বিকাল ৫:০০টা
- ওয়েবসাইট
- www.gsbd.com.bd
- সামাজিক মাধ্যম
- Facebook · LinkedIn